ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যার ঘটনায় খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
শিক্ষক হত্যার ঘটনায় খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যার ঘটনায় খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত শিক্ষক আসমা সাদিয়ার পরিবার ও শিক্ষার্থীরা খুনিদের ফাঁসির দাবিতে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে। আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে এই মানববন্ধন শুরু হয় এবং বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলে। মানববন্ধনে আসমা সাদিয়ার ১০ বছর বয়সী মেয়ে ইফফাত তাইবা সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের করুণ আবেদন

ইফফাত তাইবা মানববন্ধনে আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, 'আমাদের মাকে ফিরাই দেন। তা না হলে মায়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি দেন। আমার ভাইবোনগুলো রাতে ঘুমাতে পারে না। আমাদের মা রাতে কত আদর করে ঘুম পাড়িয়ে দিত। আমাদের মাকে কোথায় পাব?' আসমা সাদিয়ার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতানও এই মানববন্ধনে অংশ নিয়ে অভিযোগ করেন যে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রতি তাদের আস্থা নেই।

৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

মানববন্ধনে বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য সময় বেঁধে দেন। তারা সতর্ক করে দেন যে, যদি এই সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার না হয়, তবে দেশব্যাপী বড় আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এই ঘটনায় গত বুধবার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আসমা সাদিয়াকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় এবং একই কক্ষ থেকে আহত অবস্থায় ফজলুর রহমানকে উদ্ধার করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার বিস্তারিত

ইমতিয়াজ সুলতান গত বুধবার দিবাগত রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন যে, বিভাগের দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও নির্দেশে কর্মচারী খন্দকার ফজলুর রহমান আসমা সাদিয়াকে হত্যা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ২ নম্বর আসামি: বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, উম্মুল মোমেনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার।
  • ৩ নম্বর আসামি: শ্যাম সুন্দর সরকার, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সাবেক সভাপতি।
  • ৪ নম্বর আসামি: হাবিবুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

এই ঘটনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে পরিবার ও শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে।