কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা রক্ষায় ড্রেজিং কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন তিন প্রতিমন্ত্রী
কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা রক্ষায় ড্রেজিং পরিদর্শনে তিন প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা রক্ষায় চলমান ড্রেজিং কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন তিন প্রতিমন্ত্রী। শনিবার নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন মহেশখালসহ কয়েকটি খালের মুখ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীদের বক্তব্য

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীরা নদীমুখের বিদ্যমান ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীমুখ ভরাটের কারণে যেন নগরীতে কোনো জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।

বন্দর কর্তৃপক্ষের ব্রিফিং

এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ প্রতিমন্ত্রীদের কাছে চলমান ড্রেজিং কার্যক্রম ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ড্রেজিং কার্যক্রমের বিবরণ

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কর্ণফুলী নদীর যথাযথ নাব্যতা রক্ষা এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোর মুখে নিরবচ্ছিন্ন পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করতে সংস্থাটি নিজস্ব অর্থায়নে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে নগরীর পানি নিষ্কাশন সহজ হয়েছে এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, নগরীর সদরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতুর উজানে প্রায় দেড় কিলোমিটার নেভিগেশনাল চ্যানেল ও কর্ণফুলীর সঙ্গে সংযুক্ত আটটি গুরুত্বপূর্ণ খালসহ নদীর বিভিন্ন স্থানে বছরে প্রায় ১৫ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং করা হয়। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকার পাশাপাশি পলি জমার হারও অনেকাংশে কমেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্যয় ও উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

খালগুলোর মুখে ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দরের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক, চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার ওবায়েদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মোহাম্মদ সারোয়ারুল ইসলাম, পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কমান্ডার সৈয়দ সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ।