ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পূর্ব বিরোধ ও গাড়ির হর্ন বাজানো নিয়ে পৃথক স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সংঘর্ষের বিবরণ
শুক্রবার (১৫ মে) রাতে উপজেলা সদর ইউনিয়ন ও চুন্টা ইউনিয়নে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় সরাইল সদর ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের মাইক্রোবাসচালক মোহাম্মদ জয় পাঠানপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় রাস্তা থেকে পথচারীদের সরাতে হর্ন বাজান। এ নিয়ে পাঠানপাড়া গ্রামের ইদ্রিসখার জামাতার সঙ্গে জয়ের কথা কাটাকাটি হয়।
তুচ্ছ এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে পাঠানপাড়া ও আলীনগর গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় পাঠানপাড়া গ্রামের পক্ষে জিলুকদার পাড়া এবং আলীনগর গ্রামের পক্ষ নিয়ে সরাইল গ্রামের লোকজনও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় টর্চলাইটের আলো জ্বালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ আর ধাওয়া-পালটা ধাওয়া চলে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়।
চুন্টা ইউনিয়নে আরেক সংঘর্ষ
এদিকে রাতে উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের চুন্টা গ্রামে মসজিদে নামাজ পড়ানো নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে সফরের গোষ্ঠী ও শ্রাবণের গোষ্ঠীর মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রের মহড়া আর ধাওয়া-পালটা ধাওয়ায় গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি সংঘর্ষই নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।



