কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) চেষ্টা প্রতিহত করার পরও তাদের কাঁটাতারের ভেতরের অংশে নেয়নি বিএসএফ। ফলে দু’দিন ধরে শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে পাট ক্ষেতেই অবস্থান করছে চার শিশুসহ ১২ নারী-পুরুষ।
বিজিবি ও বিএসএফের অবস্থান
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্র বলছে, বিএসএফ পতাকা বৈঠকে আসলেও কোন সমাধান আসেনি। তবে ওই ১২ জনের পরিচয় আবারও খতিয়ে দেখবে বলে জানিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১২ জুন) ভোরে উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস সীমানা পিলার এলাকায় কাঁটাতারের গেট খুলে বিএসএফ ১২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে। বিজিবি ও স্থানীয়রা তাদের বাংলাদেশে ঢুকতে বাধা দেয়। ফলে বাধ্য হয়ে তারা শূন্যরেখার পাটক্ষেতে অবস্থান নেন।
দুর্ভোগ ও উদ্বেগ
দিনে তীব্র গরম আবার ঝড়, বৃষ্টি— সঙ্গে দুদিন কাটিয়ে শিশু ও নারীসহ ১২ জন মানুষের কপালে কী ঘটে তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা গেছে। বিজিবি সূত্রটি জানায়, শূন্যরেখায় আটকে থাকাদের মধ্যে চারজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশু রয়েছে। তারা অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা তা প্রতিহত করে। বর্তমানে কাঁটাতারের গেট বন্ধ করে দেওয়ায় ওই ১২ জন না পারছে ভারতেও প্রবেশ করতে পারছে না।
পতাকা বৈঠকের ফলাফল
৪৭ বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, শনিবার সকালে সীমান্তের ১৫০/৩-এস পিলার সংলগ্ন এলাকায় একটি পতাকা বৈঠক হয়। সেখানে বিএসএফ পুশইনের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য জানিয়েছি। তারা সময় নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।



