জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেছেন, চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও সন্ত্রাসীদের কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না। শনিবার (৪ জুলাই) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে গুলিস্তানে হামলায় আহত ব্যবসায়ীদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গুলিস্তানে চাঁদাবাজি ও দখলবাজির অভিযোগ
নূরুল ইসলাম বুলবুল অভিযোগ করেন, গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজির তৎপরতা বেড়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের দোকানপাট দখলের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সচেতন ব্যবসায়ীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছিলেন। বুলবুলের দাবি, ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালের পাশে মিছিলের প্রস্তুতির সময় চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের পক্ষে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়।
হামলায় ব্যবসায়ী কবিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক
হামলাকারীদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র, লাঠি ও ছুরি ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, হামলায় ব্যবসায়ী কবিরকে পরিকল্পিতভাবে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। তার কিডনিতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং ইতোমধ্যে তাকে তিন ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান তিনি। এছাড়া এনামুল হক, ওমর ফারুক, সুলতান উদ্দিন, পারভেজসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন বুলবুল।
ফ্যাসিবাদের দোসরদের সমালোচনা
জামায়াতের এই নেতা বলেন, অতীতে ‘ফ্যাসিবাদের দোসররা’ চাঁদাবাজি করত। এখন যারা নতুন করে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে, তাদেরও কোনো দলীয় পরিচয় থাকতে পারে না। তারা যে দলেরই পরিচয় বহন করুক না কেন, চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।
আগামীকাল বিক্ষোভ কর্মসূচি
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকালও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে জামায়াত। এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, ড. আব্দুল মান্নান, কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খান, সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমনসহ মহানগর ও থানা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



