সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জেলে থাকা অবস্থায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে রিমান্ডে নেওয়ার সময় চোখ বাঁধা হয়েছিল। তখন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, তিনি মাননীয় সংসদ সদস্য ছিলেন, তার চোখ বাঁধা হচ্ছে কেন? এ্যানি চৌধুরীর হুঙ্কারে ডিবি অফিসাররা কম্পিত হয়ে যান।
আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে জামালপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
তিনি বলেন, জুলাই-বিপ্লবের সময়ে আমি জেলে ছিলাম, প্রতিমন্ত্রী সালাউদ্দিন টুকু জেলে ছিলেন, আমাদের পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জেলে ছিলেন। আমাদের বেশ কয়েকজনকে মেরে ফেলার জন্য একসঙ্গে জেলে ঢুকিয়েছিল ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার।
তিনি আরও বলেন, আমরা জেলে থাকা অবস্থায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সাহেবও জেলে ছিলেন। একদিন তার চোখ বেঁধে রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গোলাম পরওয়ারকে চোখ বেঁধে রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার সময় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সেদিন দাঁড়িয়ে হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, তিনি মাননীয় সংসদ সদস্য ছিলেন, তার চোখ কেন বাঁধা হচ্ছে? এ্যানি চৌধুরী হুঙ্কার দিয়ে ডিবি অফিসারদের কম্পিত করেছিলেন। সেই এ্যানি চৌধুরীর বিরুদ্ধেও আজকাল বিরোধী দল থেকে কথা বলা শুরু হয়েছে।
সংসদ সদস্য মিল্লাত বলেন, আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে উদ্দেশ করে বলতে চাই গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) আপনি বলেছেন, প্রত্যেক বছরই জুলাই আসবে। তার মানে আপনি জুলাইয়ের ভয় আমাদের দেখাচ্ছেন। জুলাইয়ে আমরা যেভাবে সফলতা লাভ করেছি, প্রত্যেক জুলাইয়ে আমরা সেভাবেই সফলতা লাভ করব ইনশাআল্লাহ। এরকম জুলাই অনেক চলবে। জুলাই আন্দোলনের কথা আপনারা ভুলবেন না।
মিল্লাত আরও বলেন, এই জুলাই আন্দোলনে প্রায় ১৪০০ প্রাণ ঝরেছে। যার মধ্যে এক হাজারের বেশি বিএনপির লোক। কাজেই আমাদের ১৭ বছরের আন্দোলনকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।



