ভিপি সাদিকের বিরুদ্ধে ভুয়া ফেসবুক পেজ পরিচালনার অভিযোগ
সাদিকের বিরুদ্ধে ভুয়া পেজ পরিচালনা ও অর্থায়নের অভিযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মো. আবু সাদিকের (সাদিক কায়েম) বিরুদ্ধে বিতর্কিত ফেসবুক পেজ পরিচালনা ও অর্থায়নের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেল থেকে ডাকসু নির্বাচনে পরাজিত আবিদুল ইসলাম খান এই অভিযোগ করেন। গত শনিবার রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এই বিতর্ক শুরু হয়।

অভিযোগের বিবরণ

আবিদুল ইসলাম খান ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, ডিইউ ইনসাইডার, ঢাবি কণ্ঠস্বর (বর্তমানে ডেইলি ডাকসু) ও ডিইউ অবজার্ভার (বর্তমানে ভয়েস অব জেন জেড) নামের পেজগুলো থেকে অপপ্রচার চালানো হয়। এই পেজগুলোর অ্যাডমিন হিসেবে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ফয়সাল উদ্দিন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের হাসানুল বান্নাহ ও আহমেদ জুবায়েরের নাম উল্লেখ করেন।

আবিদুলের মতে, সাদিক কায়েম এই তিনজনের ফান্ডদাতা ও মদদদাতা। তিনি হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশনা দেন এবং অর্থায়ন করেন। পোস্টের মন্তব্যে সাদিকের সঙ্গে ওই তিনজনের কথোপকথনের স্ক্রিনশট ও ছবি যুক্ত করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাদিকের বক্তব্য

সাদিক কায়েম অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, কে কার সঙ্গে ছবি তুলেছেন তা দিয়ে দায় চাপানো অপ্রাসঙ্গিক। তিনি ছাত্রদলকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। ফয়সালকে পাঠানো দোয়ার বার্তা প্রসঙ্গে সাদিক বলেন, তিনি আবিদুলসহ অনেককেই একই বার্তা পাঠিয়েছিলেন।

ফয়সালের বক্তব্য

ফয়সাল উদ্দিন সাদিকের কাছ থেকে টাকা পাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, সিনিয়র হওয়ায় বিভিন্ন প্রয়োজনে সাদিকের সঙ্গে কথা হয়, কিন্তু নির্দেশনা বা অর্থায়নের কোনো সম্পর্ক নেই।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য প্রতিক্রিয়া

ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থী আবদুল কাদের সাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ সমর্থন করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তিনি বলেন, শিবির পরিকল্পিতভাবে ফয়সালদের দিয়ে নোংরা সংস্কৃতি চালু করেছিল। অপর প্রার্থী শামীম হোসেনও বলেন, ডাকসু নির্বাচনের সময় তাকে ইসলামবিরোধী প্রমাণের চেষ্টা করা হয়েছিল।

অভিযুক্ত হাসানুল বান্নাহর বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।