এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, জনরায়কে ক্ষমতার জোরে উপেক্ষা করা কোনোভাবেই শুভ লক্ষণ নয়। এর পরিণতি কখনোই ভালো হয় না। বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর আচরণে তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
সমাবেশে বক্তব্য
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খেলাফত মজলিসের মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মঞ্জু বলেন, সংবিধানের ঊর্ধ্বে জনগণের রায়। গণভোটের মাধ্যমেই সংবিধান প্রণয়ন ও পরিবর্তন করা হয়। অথচ আজ সেই গণরায়কে অবজ্ঞা করা হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য গভীর হুমকি।
ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ
তিনি আরও বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় অস্বীকার করে তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক সরকার দেশকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিয়েছিল। আজকের পরিস্থিতির সঙ্গে সেই সময়ের অদ্ভুত মিল খুঁজে পাওয়া যায়। ২০২৬ সালের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করা হয়েছে, এটি দেশের জন্য অশুভ সংকেত।
হুঁশিয়ারি ও আহ্বান
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জনগণের অধিকার কখনও দমন করে রাখা যায় না। প্রয়োজনে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান জানান।
অন্যান্য বক্তা
সমাবেশে খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন– বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।



