নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অনেক বিষয় সরকারের সঙ্গে জড়িত। তাই সরকারের সঙ্গে লিখিত ও অলিখিত আলোচনা ছাড়া এখন নির্বাচন কমিশনের পক্ষে এ নির্বাচনের বিষয়ে স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া সংগত হবে না। তবে ইসি অক্টোবরকে সামনে রেখে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জটিলতা
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) ফল উৎসবে এ কথা বলেন আবদুর রহমানেল মাছউদ। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলা পরিষদে নির্বাচিত প্রতিনিধি নেই।
আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের একটি নির্বাচন আরেকটির সঙ্গে সম্পর্কিত। উপজেলা পরিষদে পদাধিকারবলে সদস্য হন সংশ্লিষ্ট পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা। তাই পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচন না হলে উপজেলা পরিষদ গঠন করা যায় না। ফলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পরে করতে হবে। তবে সিটি করপোরেশন আলাদা।
কোন নির্বাচন আগে হবে?
তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে কোন নির্বাচন আগে হবে সে সিদ্ধান্ত এখন দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ইউপি ও পৌরসভা থেকে নির্বাচন শুরু হওয়া অধিক যৌক্তিক।
ইসির প্রস্তুতি
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব ধরনের প্রাক্-প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতিমধ্যে নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়া ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকারে নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ স্থানীয় সরকার বিভাগ করে থাকে। এটি যাতে দ্রুত হয় সে জন্য ইসি সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল উপস্থিত ছিলেন। সভাপতিত্ব করেন আরএফইডির সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দিন জেবেল, সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইকরাম উদ-দৌলা।



