নির্ধারিত সময় শেষে ১৯ মিনিট বিলম্বে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন জমা
১৯ মিনিট বিলম্বে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন জমা

নির্ধারিত সময় শেষে ১৯ মিনিট বিলম্বে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন জমা

জাতীয় নারীশক্তির মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুমের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ১৯ মিনিট পর জমা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত।

মনোনয়ন জমার সময়সীমা ও বিতর্ক

সালেহ উদ্দিন সিফাত জানান, ‘নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন জমা দিয়েছি, আমরা একটি রিসিভ কপি নিয়েছি। সেখানে ১৯ মিনিট বিলম্বে গ্রহণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।’ তবে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নুসরাত তাবাসসুম উপস্থিত থাকলেও তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অন্যদিকে, সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান স্পষ্ট করে বলেন, ‘মনোনয়নপত্রটি তারা ডেসপাস শাখায় জমা দিয়ে থাকতে পারেন। যদি সময়ের পরে জমা দিয়ে থাকেন, তবে তা আমলে নেওয়ার সুযোগ নেই।’ এই মন্তব্য মনোনয়নপত্রের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিরোধী দলীয় জোটের অন্যান্য মনোনয়ন

এর আগে, সংসদের বিরোধী দলীয় জোট মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। এনসিপির এই দুজন প্রার্থী ছাড়াও, বিরোধী জোটের অন্যান্য দলগুলোর মনোনয়ন জমা দেওয়ার তথ্য নিম্নরূপ:

  • জামায়াতে ইসলামীর ৮ জন প্রার্থী
  • শহীদ পরিবারের একজন প্রার্থী
  • বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের একজন প্রার্থী
  • জাগপার একজন প্রার্থী

সর্বমোট, বিরোধী দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফশিল ও পরবর্তী পদক্ষেপ

নির্বাচন কমিশনের পূর্বঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নিম্নলিখিত সময়সূচি নির্ধারণ করেছেন:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  1. ২২ এপ্রিল: দুপুর দুইটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত
  2. ২৩ এপ্রিল: সকাল ১০টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত

এছাড়াও, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো হলো:

  • প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের বিরুদ্ধে আপিল করার শেষ তারিখ: ২৬ এপ্রিল
  • নির্বাচন কমিশন কর্তৃক আপিল নিষ্পত্তি: ২৭ ও ২৮ এপ্রিল
  • প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ: ২৯ এপ্রিল
  • প্রতীক বরাদ্দ: ৩০ এপ্রিল
  • ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে: ১২ মে

এই ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সময়সীমা মেনে চলার গুরুত্ব ও বিলম্বের সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়া হলেও, রিটার্নিং কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিলম্বে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে, যা নির্বাচনী আইন ও বিধির কঠোর প্রয়োগের দিকটি তুলে ধরছে।