ঈদের দিনে ডিএমসিএইচ থেকে অপহৃত দুই বছরের শিশুকে উদ্ধার করল র‍্যাব-১০, প্রধান অপহরণকারী গ্রেপ্তার
ঈদের দিনে ডিএমসিএইচ থেকে অপহৃত শিশু উদ্ধার, প্রধান অপহরণকারী গ্রেপ্তার

ঈদের দিনে ডিএমসিএইচ থেকে অপহৃত দুই বছরের শিশুকে উদ্ধার করল র‍্যাব-১০

ঈদুল ফিতরের দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসিএইচ) থেকে অপহৃত দুই বছরের শিশু কাজী ফুজাইলকে সফলভাবে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১০। অপহরণের প্রধান সন্দেহভাজন এম এম তানভীরকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অপহরণের বিস্তারিত ঘটনা

পরিবার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে ফুজাইল তার মা ও খালার সাথে ডিএমসিএইচ-এ আসে অসুস্থ নানাকে দেখতে। দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটের দিকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে শিশুটি নিখোঁজ হয়। এরপর বিকেল ৪টার দিকে শিশুর বাবা মাজহারুল ইসলাম একটি অজানা নম্বর থেকে ফোন পান, যেখানে অপহরণকারীরা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

অপহরণকারীরা পরবর্তীতে পরিবারকে রাতের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম পরিশোধের জন্য চাপ দিতে থাকে। এই ঘটনার পর শিশুর বাবা শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, যা র‍্যাব-১০-কে একটি গোপন তদন্ত শুরু করতে উদ্বুদ্ধ করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

র‍্যাব-১০-এর সফল অভিযান

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১০-এর একটি বিশেষ দল জাত্রাবারির ধলপুর এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে তারা ফুজাইলকে নিরাপদ অবস্থায় খুঁজে পায় এবং তানভীরকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তানভীর—যার মূল বাড়ি পটুয়াখালীর দশমিনা এলাকায়—অপহরণটি পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘটানোর কথা স্বীকার করে।

তিনি জানান, শিশুটি যখন মায়ের জন্য কাঁদছিল, তখন তাকে শান্ত করতে তিনি খেলনা ও চকলেট ব্যবহার করেছিলেন। র‍্যাব-১০-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র এএসপি এস এম হাসান সিদ্দিকী নিশ্চিত করেছেন যে উদ্ধারকৃত শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আরও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অপহরণকারীর পরিচয় ও পরিণতি

গ্রেপ্তারকৃত প্রধান অপহরণকারী এম এম তানভীরের বয়স ৩৫ বছর। তাকে শনিবার রাতের দিকে জাত্রাবারি এলাকা থেকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ আনা হয়েছে। র‍্যাব-১০-এর দ্রুত পদক্ষেপ ও দক্ষ তদন্ত এই সফল উদ্ধার অভিযানকে সম্ভব করেছে, যা শিশুটি ও তার পরিবারের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য স্বস্তি বয়ে এনেছে।