সুন্দরবনে ডাকাত দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক, অস্ত্র উদ্ধার
সুন্দরবনে ডাকাত দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক

সুন্দরবনে ডাকাত দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক, অস্ত্র উদ্ধার

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বিশেষ অভিযানে সুন্দরবনের ডাকাত দল ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড বা দ্বিতীয় প্রধান আবদুস সামাদ মোল্লাকে আটক করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের কার্যালয় থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আটকের পর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একনলা বন্দুক, এয়ারগান ও দুটি অবিস্ফোরিত কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

আটকের বিস্তারিত বিবরণ

আটক আবদুস সামাদ মোল্লার (৩৫) বাড়ি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায়। কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম জানিয়েছেন, সামাদ মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে ছোট সুমন বাহিনীর হয়ে সুন্দরবনে ডাকাতি কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন। তিনি এই দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সাব্বির আলম বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় সুন্দরবনে সক্রিয় বনদস্যুদের দমনে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর তৃতীয় ধাপে অভিযান চালানো হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযানের সময়সূচি ও অস্ত্র উদ্ধার

কোস্টগার্ড সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত ১০টার দিকে রামপাল উপজেলার শুকদারা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবদুস সামাদ মোল্লাকে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ ভোরে মোংলা থানার সুন্দরবনের নন্দবালা খালসংলগ্ন এলাকায় আরেকটি অভিযান চালানো হয়।

এই অভিযান থেকে একটি একনলা বন্দুক, একটি এয়ারগান এবং দুটি অবিস্ফোরিত কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযানের গুরুত্ব ও প্রভাব

সুন্দরবনে ডাকাতি ও বনদস্যুতা রোধে কোস্টগার্ডের এই অভিযান একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ছোট সুমন বাহিনীর মতো দস্যু দলগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে এই ধরনের অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম বিডি গেজেট-কে বলেন, “সুন্দরবনের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। এই আটক আমাদের অভিযানের একটি বড় অর্জন।”

সুন্দরবনের পরিবেশ ও স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় কোস্টগার্ডের এই প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।