নেত্রকোনার মদনে ৫ বছরের শিশু আরিয়ানের ৪৫ দিনেও সন্ধান মেলেনি, পরিবার ভেঙে পড়েছে
নেত্রকোনায় শিশু আরিয়ানের ৪৫ দিনেও সন্ধান নেই, পরিবার বিপর্যস্ত

নেত্রকোনার মদনে ৫ বছরের শিশু আরিয়ানের ৪৫ দিনেও সন্ধান মেলেনি

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ৫ বছরের শিশু আরিয়ান ইসলাম ৪৫ দিন আগে নিখোঁজ হয়েছেন। এখনো তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারটি ভেঙে পড়েছে। শিশুটির সন্ধানের দাবিতে গ্রামবাসীরা মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করেছেন।

নিখোঁজের ঘটনা ও পরিবারের বেদনা

শিশু আরিয়ান ইসলাম মদন উপজেলার কাওয়াল্লী বিন্নী গ্রামে তার নানার বাড়ি থেকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন। তিনি কেন্দুয়া পৌর সদরের ছকিদারা গ্রামের সানাউল্লাহ মিয়ার একমাত্র ছেলে। তার মা আয়েশা আক্তার চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামে বসবাস করেন, তাই শিশুটিকে নানার বাড়িতে রেখে যান।

নিখোঁজের পরদিন, ২৬ ফেব্রুয়ারি, তার নানা বুলবুল মিয়া মদন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মগড়া নদীর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও কোনো সন্ধান পায়নি। পরিবারের দাবি, আরিয়ানকে অপহরণ করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিবারের অভিযোগ ও পুলিশের বক্তব্য

শিশুটির নানা বুলবুল মিয়া জানান, "আমার নাতি নিখোঁজের ৪৫ দিন অতিবাহিত হলেও কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। পুলিশের পক্ষ থেকেও কোনো সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না।" পরিবারের সদস্যদের মতে, যদি আরিয়ান পানিতে পড়ে মারা যেতেন, তাহলে তার দেহ ভেসে উঠত। তাই তারা সন্দেহ করছেন যে গ্রামের প্রতিবেশীরাই তাকে অপহরণ করেছে।

অন্যদিকে, মদন থানার ওসি হাসনাত জামান জানান, "এ ব্যাপারে পিবিআই তদন্ত করছে। আমরাও তদন্ত করছি। পুলিশ সহযোগিতা করছে না—এটা অবশ্য ঠিক না।" তিনি পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান থাকার কথা উল্লেখ করেছেন।

গ্রামবাসীর উদ্যোগ ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

শিশু আরিয়ানের সন্ধান না পাওয়ায় স্থানীয় গ্রামবাসীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা মানববন্ধনের মাধ্যমে শিশুটির নিরাপদ ফিরে আসার দাবি জানিয়েছেন। এই ঘটনা সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও শঙ্কার সৃষ্টি করেছে, এবং অনেকেই পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলায় এই নিখোঁজের ঘটনা স্থানীয়ভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। পরিবার ও কর্তৃপক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, শিশুটির ভাগ্য এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।