জুলাই যোদ্ধাদের মারতে পুরস্কার ঘোষণা, নড়াইলে থানায় অভিযোগ
জুলাই যোদ্ধাদের মারতে পুরস্কার ঘোষণা, থানায় অভিযোগ

নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধাদের মারধর করতে পারলে পুরস্কার ঘোষণা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে দলটির সাবেক সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম এ অভিযোগ করেন।

অভিযোগের বিবরণ

অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন উস্কানিমূলক লেখালেখি, ভুয়া ভিডিও পোস্ট এবং আমিরুল ইসলামসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকে মারতে পারলে ৫০ হাজার টাকা, ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকাসহ বিভিন্ন পরিমাণে অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করছেন। যা তাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে।

অভিযুক্তদের তালিকা

অভিযুক্তরা হলেন: বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদ, নড়াইলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান নয়ন (৩৮), সহ-সভাপতি সৌরভ কর্মকার (২৬), লোহাগড়া উপজেলার কুন্দসী গ্রামের সজিবুল ইসলাম হৃদয় (২৬), একই এলাকার শাহাদাত হোসেন রায়হান (২৫), লোহাগড়ার চাচই গ্রামের আরব শিকদারের ছেলে ইমন শিকদার (২৪), লোহাগড়া উপজেলা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাচই গ্রামের সাইফুল জমাদ্দারের ছেলে মো. মিলন জমাদ্দার (২৯), মল্লিকপুর গ্রামের মো. ইস্রাফিল (২৫), কাশিপুর ইউনিয়নের কামেশ্বরপুর গ্রামের মো. সজীব চৌধুরী (২৬), লোহাগড়ার কালনা গ্রামের এস কে আসলাম (২৫), নড়াইল পৌরসভার নড়াইল গ্রামের মহসীন বিশ্বাসের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ আল জাবের লোটাস (৪০) ও সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের সিবানন্দপুর গ্রামের আজগর শেখের ছেলে মো. জুবায়ের শেখ (২০)।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়াইল সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আমিরুল ইসলামের প্রতিক্রিয়া

নড়াইল জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম বলেন, জুলাই আসায় আওয়ামী লীগ পাগল হয়ে গেছে। বিদেশে বা বিভিন্ন অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে থেকে তারা এ ধরনের হুমকি দিচ্ছে। তাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। আমরা আইনের দারস্থ হয়েছি। প্রতিকার চাই, তবে প্রতিকার না পেলে আমরা প্রস্তুত আছি পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য।

অভিযুক্তের বক্তব্য

অভিযুক্তদের মধ্যে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, অভিযোগকারীকে আমি চিনি না। আমার সঙ্গে যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদেরও চিনি না। আমার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক।