ফিলিস্তিনের সাংস্কৃতিক সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ
ফিলিস্তিনের সাংস্কৃতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এস. ওয়াই. রামাদান সোমবার (৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত স্পেনের মাদ্রিদে অনুষ্ঠিতব্য একটি যৌথ সাংস্কৃতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য স্পেনের সংস্কৃতিমন্ত্রী আর্নেস্ট উরতাসুন দোমেনেখ এবং ফিলিস্তিনের সংস্কৃতিমন্ত্রী ইমাদ এ. হামদানের যৌথ আমন্ত্রণপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রীর নিকট হস্তান্তর করেন।

আমন্ত্রণে সাড়া দেওয়ার আগ্রহ

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী আমন্ত্রণপত্রটি সাদরে গ্রহণ করেন এবং এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "সংস্কৃতি বিভিন্ন জাতি ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, শান্তি ও সংলাপ প্রতিষ্ঠার এক শক্তিশালী মাধ্যম।" তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং তাঁর দাপ্তরিক সময়সূচি বিবেচনা করে আমন্ত্রণটি ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী, ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। সংস্কৃতিমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য ও বৈধ অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন অবিচল রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফিলিস্তিনের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশ গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে। এ ক্ষেত্রে শিল্পী ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদল বিনিময়, যৌথ প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সাংস্কৃতিক সংলাপের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই দুই দেশের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মোচনে একমত পোষণ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা বিনিময়

পরিশেষে, সংস্কৃতিমন্ত্রী ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতকে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশে তাঁর কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। জবাবে রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এস. ওয়াই. রামাদান বাংলাদেশ সরকার ও এ দেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।