তামিলনাড়ু সরকার গঠন: টিভিকে-র সব বিধায়ক পদত্যাগের হুঁশিয়ারি
তামিলনাড়ু সরকার গঠনে টিভিকে-র পদত্যাগ হুঁশিয়ারি

তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে নাটকীয়তা নতুন মোড় নিয়েছে। এম কে স্টালিনের ডিএমকে অথবা ই পালানিস্বামীর এআইএডিএমকে; এই দুই দ্রাবিড় দলের কেউ যদি সরকার গঠনের দাবি জানায়, তবে বিজয়ের দল টিভিকে-র ১০৭ জন বিধায়কের সবাই পদত্যাগ করবেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলীয় সূত্রে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বলে এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

টিভিকে-র সন্দেহ

নির্বাচনে জনমত পাওয়া টিভিকে এখন সন্দেহ করছে যে, ডিএমকে ও এআইএডিএমকে ভেতরে ভেতরে হাত মিলিয়ে তাদের বাদ দিয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে।

বিজয়ের অবস্থান

বিজয় নির্বাচনে দুটি আসনসহ মোট ১০৮টিতে জয়ী হয়েছিলেন। একটি আসন ছেড়ে দিলে তার দলের বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়ায় ১০৭। একক বৃহত্তম দল হিসেবে রাজ্যপাল আর ভি আরলেকার তাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল টিভিকে-র। কিন্তু বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো বৈঠকেও রাজ্যপাল বিজয়ের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজভবনের বিবৃতি

রাজভবন থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা যে অর্জিত হয়েছে, তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।’ রাজ্যপাল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ১১৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন ছাড়া তিনি শপথ গ্রহণ করাবেন না। সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য বিজয় যে পরিকল্পনা পেশ করেছিলেন, তাও রাজ্যপাল গ্রহণ করেননি।

ডিএমকে-র বৈঠক

বিজয় যখন সমর্থন জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন, তখন বৃহস্পতিবার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছিল ডিএমকে। বৈঠকে চারটি প্রস্তাব পাস করা হয়েছে, যার মধ্যে একটিতে দলের প্রধান এম কে স্টালিনকে যেকোনও ‘জরুরি সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ডিএমকে-র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো আরেকটি নির্বাচন এড়ানো, একটি স্থিতিশীল সরকার গঠন এবং সাম্প্রদায়িক শক্তিকে জায়গা না দেওয়া।’

সংকট মোকাবিলায় ডিএমকে

বর্তমান অবস্থাকে একটি ‘জটিল সংকট’ আখ্যা দিয়ে ডিএমকে তাদের সব বিধায়ককে চেন্নাইয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

টিভিকে-র সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেষ্টা

টিভিকে-র এখন সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য আরও ১০টি আসন প্রয়োজন। কংগ্রেসের ৫ জন বিধায়ক ইতোমধ্যে তাদের সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। বাকি ৫টি আসনের জন্য বামপন্থি ও অন্যান্য ছোট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বিজয়ের দল।