যুক্তরাষ্ট্রের এআরটি চুক্তি কেবিনেটে অনুমোদিত: শফিকুল আলম
যুক্তরাষ্ট্রের এআরটি চুক্তি কেবিনেটে অনুমোদিত: শফিকুল

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক টকশোতে দাবি করেছেন, এই চুক্তি কেবিনেটে অনুমোদিত হয়েছে এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ সম্পর্কে অবগত ছিলেন।

কেবিনেটে অনুমোদনের দাবি

শফিকুল আলম বলেন, 'এটা তো এপ্রুভ হয়েছে; ক্যাবিনেটে তো এটা ডিসকাশন হয়েছে, তো অবশ্যই জানার তো কথা।' তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক চুক্তি হওয়ায় কেবিনেটের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল।

রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গ

সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম জানান, সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের দাবি অনুযায়ী, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কিনা—এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তিনি বলেন, 'এইটা আমি জানি না। কিন্তু আমরা যেহেতু একটা ট্রানজিশনে ছিলাম... উনি বলতেই পারেন তাদের সাথে কথা বলা।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পালটা শুল্ক কমানোর প্রক্রিয়া

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র নির্বাহী আদেশ নম্বর ১৪২৫৭-এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর পালটা শুল্ক আরোপ করে। পরে আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য শুল্ক হার ২০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়, যা পরবর্তীতে ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়।

বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া

এদিকে, এআরটি চুক্তি বাতিলের দাবিতে বরিশালে পথসভা ও গণসংযোগ করেছে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট। বক্তারা অভিযোগ করেন, ৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি দেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ক্ষতিকর।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

খলিলুর রহমানের বক্তব্য নিয়ে দ্বন্দ্ব

খালেদ মহিউদ্দিন উল্লেখ করেন, জামায়াতের আমির দাবি করেছেন যে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। এ প্রসঙ্গে শফিকুল আলম মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, 'এ বিষয়ে আমার কমেন্ট করার কিছু নাই... আপনাকে খলিল সাহেবের সঙ্গে কথা বলতে হবে।'

শফিকুল আলম আরও বলেন, 'যারা এ ট্রেড ডিলটার সঙ্গে নেগোশিয়েশনে ছিলেন আপনি তাদেরও জিজ্ঞেস করতে পারেন আপনার প্লটফর্মে এনে।'