যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে তিন ধাপের একটি প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান। রবিবার ইসলামাবাদে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তেহরানের শর্তগুলো জানিয়েছেন তিনি। একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পাকিস্তানের রাজধানীতে এটি ছিল তার দ্বিতীয় সফর। ওমানে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি পর রবিবার আরাঘচি ইসলামাবাদে পৌঁছান।
প্রথম পর্যায়: যুদ্ধবিরতি ও হামলা বন্ধ
ইরানের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি এবং ইরান ও লেবাননের ওপর নতুন করে হামলা বন্ধে নিশ্চয়তা প্রদান। এই ধরনের প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত হওয়ার পরেই আলোচনা দ্বিতীয় পর্যায়ে যাবে, যা হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার ওপর আলোকপাত করবে।
তৃতীয় পর্যায়: পারমাণবিক আলোচনা
তৃতীয় পর্যায়ে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হবে, যদিও তেহরান জোর দিয়ে বলেছে যে পূর্ববর্তী পর্যায়গুলোতে অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত তারা পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নেবে না। ইরানের আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে যে, আরাঘচি ওয়াশিংটনকে লিখিত বার্তাও দিয়েছেন, যেখানে তেহরানের অলঙ্ঘনীয় সীমা তুলে ধরা হয়েছে, বিশেষ করে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালির বিষয়ে।
বার্তার উদ্দেশ্য
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বার্তাটির উদ্দেশ্য ছিল ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করা, কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা নয়। আরাঘচি এরপর সোমবার ইসলামাবাদ থেকে মস্কো যান। রাশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে তিনি তার আঞ্চলিক সফর শেষ করবেন।



