ইরানের সাথে সরাসরি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উদ্যোগ
ইরানের সাথে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উদ্যোগ

যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য আবারও উদ্যোগী হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার এই আলোচনার উদ্দেশ্যে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দেবেন। শুক্রবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়েই ইরানিরা নতুন করে এই সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে এবং হোয়াইট হাউস আশা করছে যে, এবার ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে কোনো চুক্তির পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। এর আগে গত ১১ ও ১২ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে হওয়া সেই দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার বৈঠক কোনো প্রকার সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছিল।

লেভিট জানান, যদিও জেডি ভ্যান্স এখনো যেকোনো মুহূর্তে পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন, তবে এবারের সফরে তিনি যাচ্ছেন না। তবে প্রয়োজন হলে আলোচনা সফল করতে যেকোনো সময় উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি দল পাকিস্তানে পৌঁছাতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান প্রেস সেক্রেটারি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যবসায়িক সহযোগী থেকে বৈশ্বিক আলোচক হওয়া স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এর আগেও ইরান ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার ঠিক আগমুহূর্ত পর্যন্ত তেহরানের সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়েছিলেন। তবে ওই হামলার পর তেহরান তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছিল, যা দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। সে সময় ভ্যান্স জানিয়েছিলেন, পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দাবিগুলো ইরান প্রত্যাখান করেছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বর্তমানে দুই দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। সেই যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে গত ২২ এপ্রিল ট্রাম্প তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন, যা শান্তি আলোচনার জন্য একটি নতুন ক্ষেত্র তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের এই দ্বিতীয় দফার সফর ইরানকে চুক্তির টেবিলে ফিরিয়ে আনতে কতটা ভূমিকা রাখে।