প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২১-২২ জুন দুই দিনের সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি হবে তার প্রথম বিদেশ সফর। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব
তারেক রহমানের প্রথম সফরকে ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে বিশেষ দৃষ্টি থাকে কূটনৈতিক মহলে।
চীন সফর সম্ভাব্য
জুন মাসের শেষে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের কথাও রয়েছে, তবে তা এখনও নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি জানান, চীনের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য তারিখ দেওয়া হলেও এখনও সফর চূড়ান্ত হয়নি। তবে মালয়েশিয়া সফরের সঙ্গে সময় মিলিয়ে আরও একটি দেশ সফরে যাবেন তারেক রহমান, যা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
মালয়েশিয়া সফরের এজেন্ডা
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া সফরে অভিবাসন, শ্রমবাজার, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হতে পারে। মালয়েশিয়ায় কয়েক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক অবস্থান করছেন। নতুন কর্মী নিয়োগের বিষয়টিও দীর্ঘদিন ঝুলে আছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে এই জটিলতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আমন্ত্রণ ও প্রস্তুতি
গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে টেলিফোন করে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ফোনালাপে তিনি তারেক রহমানকে মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান। এরপর গত এপ্রিলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মালয়েশিয়া সফর করেন। এ সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা তারেক রহমানের ব্যক্তিগত চিঠি হস্তান্তর করেন। সে সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আবারও মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান আনোয়ার ইব্রাহিম।
ভারত সফরের সম্ভাবনা
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, চীন ছাড়াও সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও কাজ চলছে। তবে কোনও সফর এখনও চূড়ান্ত হয়নি।



