জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যে সর্বসম্মত ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, 'মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি।'
সফরের গুরুত্ব ও অর্জন
প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন। এই সফর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন সরকার দলের সদস্যরা, যা সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।
বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রোহিঙ্গা সংকটে চীনের ইতিবাচক বার্তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, 'রোহিঙ্গা সংকটে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে চীন।' তবে বিরোধী দল প্রধানমন্ত্রীর সফরের কিছু দিক নিয়ে সমালোচনা করলেও ধন্যবাদ প্রস্তাবে সমর্থন জানায়।
অন্যান্য ঘটনা
একই দিনে মাধবপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করে বিজিবি। গোমস্তাপুরে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন নিয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাগেরহাটে মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান করা হয়। একই দিনে বাবা-ছেলের জন্মদিন উপলক্ষে দ্বিগুণ আনন্দে অপূর্ব সংসদে অনুষ্ঠান হয়। পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৪৩ বস্তা টাকা জমা পড়েছে, যা নতুন রেকর্ডের প্রত্যাশা তৈরি করেছে। বিদেশি দর্শনার্থীদের কড়া বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশে ফিরেই প্রধানমন্ত্রী বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন।



