এনসিপি নেতা আখতার হোসেনের অভিযোগ: রাষ্ট্রপতির পদে বহাল থাকা সন্দেহজনক
এনসিপি নেতার অভিযোগ: রাষ্ট্রপতির পদে বহাল থাকা সন্দেহজনক

এনসিপি নেতার অভিযোগ: রাষ্ট্রপতির পদে বহাল থাকা সন্দেহজনক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন রাষ্ট্রপতিকে পদে বহাল রাখাকে সন্দেহজনক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, রাষ্ট্রপতি বিগত ফ্যাসবাদী সরকারের অন্যতম সহযোগী ছিলেন, তাই তার অবিলম্বে অভিসংসনের আওতায় আনা উচিত।

রবিবারের ইফতার মাহফিলে বক্তব্য

রবিবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর বিজয় সরণিতে এনসিপির পেশাজীবী অঙ্গ সংগঠন ন্যাশনাল প্রফেশনাল অ্যালায়েন্সের ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আখতার হোসেন। তিনি বলেন, “এখনও কোন প্রেক্ষাপটে তাকে পদে রাখা হয়েছে— আমরা জানতে চাই। কারণ তিনি বিগত ফ্যাসবাদী সরকারের অন্যতম সহযোগী। তাকে অবিলম্বে অভিসংসনের আওতায় আনতে হবে।”

অনুষ্ঠানে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ অন্যান্য নেতাও বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল প্রফেশনাল অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক নাভিদ নওরোজ শাহ এবং সঞ্চালনা করেন সদস্যসচিব তৌহিদ হোসেন মজুমদার।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান

আখতার হোসেন আরও বলেন, “সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীরই ছিল। সুতরাং এর দায় তাকেই নিতে হবে। সংবিধানের দোহাই না দিয়ে জনগণের অভিপ্রায় বাস্তবায়নে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের অধিবেশন ডাকতে হবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই সনদে ৩০ দিনের কথা বলা হলেও এখনও সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রয়োজনীয়তা বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। তার মতে, বর্তমান সরকার সংবিধানের দোহাই দিয়ে ফ্যাসিবাদকে ফিরিয়ে আনতে চাইছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

এনসিপির এই বক্তব্য নির্বাচিত সরকারের অধীনে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। আখতার হোসেনের মন্তব্যগুলো রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে, যেখানে সংবিধান সংস্কার এবং সরকারের জবাবদিহিতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।

এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এনসিপির দাবিগুলো ভবিষ্যতে সরকারের পদক্ষেপ এবং বিরোধী দলের কৌশল নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।