ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, ভবিষ্যতের জন্য সংসদ কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে
কায়সার কামাল: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সংসদ কেন্দ্রীয় ভূমিকা চাই

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, ভবিষ্যতের জন্য সংসদ কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েম হয়েছে। যে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বারবার হোঁচট খেয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আমরা নতুন করে দ্বিতীয় স্বাধীনতা পেয়েছি। এই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কার্যকর করতে না পারলে চলমান গণতন্ত্র ভবিষ্যতে টিকে থাকার সম্ভাবনা থাকবে না।’

শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে ঢাকাস্থ নেত্রকোণা সাংবাদিক ফোরামের ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদীয় গণতন্ত্রের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘১৬৮৮ সালে গ্লোরিয়াস রেভ্যুলেশনের মাধ্যমে সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসির ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত ও নিউজিল্যান্ডসহ বিশ্বের অনেক দেশ সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চা করে আসছে। যে দেশে এই সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা যত বেশি নিয়মতান্ত্রিক ও মসৃণ হয়েছে, সেই দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা তত বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে আমরা স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী সরকার দেখেছি। এখন আমরা এমন এক যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে নতুন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, যদি মহান জাতীয় সংসদকে সব রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তাহলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কায়সার কামাল আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ছাড়া কোনও দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। যখন গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা থাকে, তখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। আর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে মানবাধিকারও সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।’

তিনি বলেন, ‘যে সমাজ ও রাষ্ট্রে আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা, মানবাধিকার এবং সাংবিধানিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই সমাজ ও রাষ্ট্রই উন্নতির পথে এগিয়েছে।’

ইফতার মাহফিলে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি রফিক মুহাম্মদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খান লিথোর সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন:

  • বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল বারী ড্যানি
  • সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজিবুর রহমান
  • আরিফা জেসমিন নাহিন
  • প্রফেসর নুরুল হক
  • সমাজসেবক নাজমুল হাসান
  • জনশক্তি রপ্তানি ব্যুরোর পরিচালক (প্রশাসন) মাসুদ রানা
  • বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মোস্তাফিজুর রহমান
  • মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামীম আহমেদ
  • ব্যবসায়ী জান্নাতুল বাকের খান নন্দন
  • সাবেক ছাত্রনেতা আনোয়ারুল হক রয়েল
  • জহির ফারুক
  • এজমল হক পাইলট
  • জাকির হোসেন
  • এ কে এম সানোয়ার আলম প্রমুখ

এই ইফতার মাহফিলটি রাজনৈতিক ও সামাজিক বক্তব্য উপস্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে, যেখানে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।