জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ এই জাদুঘরে তারা উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আন্দোলন ও আত্মত্যাগের স্মারক, আলোকচিত্র ও নিদর্শনাদি পর্যবেক্ষণ করেন।
আবেগঘন মুহূর্ত
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার জাদুঘরে সংরক্ষিত সেই উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতিচিহ্ন দেখে আবেগাপ্লুত হন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন নিদর্শনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেন।
স্পিকারের বক্তব্য
জাদুঘর পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্পিকার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। তিনি আরও বলেন, এই জাদুঘর কেবল একটি স্থাপনা নয়, বরং এটি অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের অদম্য সাহসের প্রতীক। ছাত্র-জনতার এই বীরত্বগাথা আগামী প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
সংস্কৃতিমন্ত্রীর প্রত্যয়
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাদুঘরের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে স্পিকারকে অবহিত করেন এবং এই স্মৃতি জাদুঘরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সরকার জাদুঘরটির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
পরিদর্শনকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখান এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করেন।



