খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে মাস্ক পরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রনি নামে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনার বিবরণ
শনিবার (৪ জুলাই) ভোরে জেলা সদরের সবুজবাগ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আগুন দেওয়ার এ ঘটনা ঘটে। মো. রনি জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি।
পুলিশ বলছে, ছাত্রলীগের নেতারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বৃষ্টি থাকায় এবং স্মৃতিস্তম্ভটি লোহার তৈরি হওয়ায় আগুনে তেমন ক্ষতি হয়নি। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগুন দেওয়ার একটি ভিডিও প্রচার করে।
ভিডিওতে যা দেখা গেছে
ভিডিওতে দেখা যায়, মাস্ক পরা এক যুবক স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশে পেট্রোল জাতীয় দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে এতে আগুন দেয়। ঘটনাস্থলে প্লাস্টিকের বোতলও পাওয়া গেছে।
খাগড়াছড়ি সরকারী কলেজের নৈশপ্রহরী সেনময় ত্রিপুরা জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই যুবক সাংগঠনিক কাজ আছে বলে কলেজে প্রবেশ করে। তার একটু পরে স্মৃতিস্তম্ভে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।
প্রতিক্রিয়া ও মামলা
ছাত্র প্রতিনিধি জাহিদ হাসান ঘটনার জন্য ছাত্রলীগের পলাতক কর্মীদের দায়ী করে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনা ঘটিয়ে তারা আবারও তাদের জঙ্গি কর্মকাণ্ডের পরিচয় তুলে ধরেছে এবং সারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি মো. কায় কিসলু বলেন, শুক্রবার রাতে বেশ বৃষ্টি ছিল। রাতের কোনো এক সময়ে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রনিকে আটক করেছি। তিনি জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি মনিরের বড় ভাই। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবে।



