বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত ‘ত্রিমুখী তদন্তের মুখে বেবিচকের প্রকৌশলী শরিফুল’ শিরোনামের সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বেবিচকের তত্ত্বাবধায়ক শরিফুল ইসলামের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোশারেফ হোসেন মোল্লা। তিনি তার প্রতিবাদ লিপিতে উল্লেখ করেন— “২০২১ সালে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির নতুন আবেদনের যাচাই বাছাইয়ের একটি অখন্ড তালিকা এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক তার উপজেলার একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রতিস্বাক্ষরিত করা সনদ নিয়ে করা উক্ত প্রতিবেদন।”
প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর নিয়ে বক্তব্য
মোশারেফ হোসেন মোল্লা আরও বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা সনদে তার স্বাক্ষর প্রদান করার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। এই জাতীয় স্বাক্ষর অসংখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সনদে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রতিবেদকের বক্তব্য হলো— “প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের মনগড়া কোনও বক্তব্য নেই। মন্ত্রণালয়ে এই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়েরের পর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বেবিচক ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত শুরু করে। এসব তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করেই প্রতিবেদন করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, “প্রতিবেদনে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাও বলা হয়নি। অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে তদন্ত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয় থেকে এই ব্যাপারে বেবিচককে নির্দেশনা দেওয়া হলেও বেবিচক এখন পর্যন্ত বিষয়টি খোলাসা করেনি।”
শরিফুল ইসলামের বক্তব্য না পাওয়া
প্রতিবেদক আরও জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের মন্তব্য জানতে একাধিকবার তাকে ফোন করা হয়, এমনকি তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি সাড়া না দেওয়ায় তার কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



