গাইবান্ধায় দুদকের গণশুনানি: ৯ অভিযোগ অনুসন্ধানে কমিশনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত
গাইবান্ধায় দুদকের গণশুনানি: ৯ অভিযোগ অনুসন্ধানে কমিশনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত

‘সবাই মিলে গড়বো দেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ১৯৩তম গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুনানিতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিরুদ্ধে ওঠা ৯টি অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য কমিশনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গণশুনানির আয়োজন ও অভিযোগ

সোমবার গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে এ গণশুনানির আয়োজন করে রংপুরের দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়। এই গণশুনানিতে ৩২টি সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ৯৭টি অভিযোগের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কাস্টমস, পরিবেশ অধিদপ্তর, গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল, রেলওয়ে ও এলজিইডির বিরুদ্ধে ওঠা ৭টি অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়।

এছাড়া ভূমি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। বাকি অভিযোগগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গণশুনানির লক্ষ্য

দুদক জানায়, দুর্নীতিবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সরকারি-আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর-সংস্থাগুলোতে সেবার মান উন্নয়ন, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি রোধ এবং সমাজের সর্বস্তরে দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যেই এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়।

বক্তাদের বক্তব্য

গণশুনানির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুদকের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি দপ্তরে সেবার মান উন্নয়নে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুদক সারা দেশে নিয়মিত গণশুনানির আয়োজন করে থাকে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দুদকের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন ও মো. আক্তার হোসেন, গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজিব পিপিএম এবং দুদকের বিভাগীয় কার্যালয় রংপুরের পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল হুদা বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, দুর্নীতির অপরাধ ও শাস্তি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ সচেতন হলে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দুর্নীতি কমবে এবং সেবার মান বাড়বে। দুর্নীতি প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।