ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ধাওয়া করে হামলার শিকার হয়েছেন ছাত্রদল ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। এতে পাঁচ জন আহত হয়েছেন।
ঘটনার বিবরণ
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার সুহিলপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাহিম উদ্দিন, জেলা নবীন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ, ছাত্রদল কর্মী জসিম, শাহীনুল ইসলাম শাহীন এবং জেলা জামায়াতের প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি ও জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. রোকন উদ্দিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়
স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা জানান, সুহিলপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেলে ঝটিকা মিছিল বের করেন। এ সময় তারা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের পিছু নেন।
হামলার ঘটনা
পার্শ্ববর্তী বুধল ইউনিয়নের মালিহাতা শান্তিনগর এলাকায় পৌঁছলে ওতপেতে থাকা কয়েকজন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে পাঁচ জন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আহতদের দেখতে হাসপাতালে বিএনপি নেতারা
এদিকে খবর পেয়ে শুক্রবার (১৫ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির মিয়া, জেলা বিএনপির সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল খান, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহের, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি সাঈদ হাসান সানি, স্বেচ্ছাসেবক দলের পৌর আহ্বায়ক মো. সজিব, পৌর ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা ইসহাক আল মামুন প্রমুখ।
বিএনপি নেতার বক্তব্য
জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করছে তারা। পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।



