একদলীয় শাসন জনগণ মেনে নেবে না: জামায়াত আমির
একদলীয় শাসন জনগণ মেনে নেবে না: জামায়াত আমির

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘ইতিমধ্যে সরকার অনেক অঘটন ঘটিয়ে ফেলেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গভর্নর নিয়োগ, ইসলামি ব্যাংকের দিকে কালো হাত, বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়ে দলীয় ভিসি নিয়োগ, জেলা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দলীয় নেতা ও ক্যাডার নিয়োগ দিয়ে- এভাবে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা বাংলাদেশে কায়েম করার চেষ্টা করছে। ইতিহাস ভুলে গেলে হবে না। শেখ মুজিবুর রহমানও একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছিল। কিন্তু এরপর অর্ধবছরও ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। সুতরাং, একদলীয় শাসন ব্যবস্থা এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না।’

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সংসদে বিরোধী দলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা হয় উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘বিগত সময়ে সংসদে বিরোধীদলকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার সংস্কৃতি চালু করেছিল আওয়ামী লীগ। তারা সবচেয়ে বেশি গালি দিতো বিএনপিকে, তারপর জামায়াতে ইসলামীকেও ছাড় দিত না। বর্তমানে বিএনপিও সেই আওয়ামী লীগের কথাগুলো জপা শুরু করেছে। যে কথাগুলো জপতে জপতে আওয়ামী লীগ পড়ছে দিল্লিতে, আপনারা সেই কথা জপতে জপতে কোথায় গিয়ে পড়বেন? দেশের জনগণ এগুলো খায় না।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জালিয়াতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে হাজারও জালিয়াতি, সন্ত্রাস, কালো টাকার ছড়াছড়ি ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরে আপনারা ১১ দলীয় জোটকে একটি আসন (নারায়ণগঞ্জ-৪) উপহার দিতে পেরেছিলেন। ভোটের মতো রেজাল্ট গণনা সুষ্ঠু হলে অন্য আসনেও জোটের বিজয় হত। আমাদের সেই বিজয় ছিনতাই করে নেওয়া হয়েছে।’

সরকারকে উদ্দেশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সরকার গঠনের আগে ও পরে আপনারা চাঁদাবাজদের হাত আটকাতে পারেননি। ঘুষ, দুর্নীতি বন্ধ করেননি, বরং তার মিটার আগের থেকে বেড়ে গেছে। কিছু দলকানা মানুষ ও গোষ্ঠীর হয়তো ভাগ্য পরিবর্তন হবে। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এ কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির ও সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।