প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে
প্রধানমন্ত্রীর সফর অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ফলে দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

মালয়েশিয়া ও চীন আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম অংশীদার। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের এটিই তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। কূটনৈতিকভাবে এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সফরের ফলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু এবং চীন ও মালয়েশিয়ার সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

ড. খন্দকার মারুফ আজ শনিবার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ রা.বি হাইস্কুল মাঠে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। এর আগে তিনি ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল আল আকসা জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপ থেকে দেশকে দ্রুত উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেমনিভাবে 'তলাবিহীন ঝুড়ি'র দেশকে ব্যাপক উন্নয়ন ও উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়েছেন, দেশকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্র সুসংহত এবং সর্বক্ষেত্রে যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছেন। তাদের সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার পিতা-মাতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একইভাবে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ড. খন্দকার মারুফ বলেন, আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, বর্তমান ও আগামীর রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তার কোনো বিকল্প নেই, তার হাত ধরেই দেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ হবে। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই জনগণের স্বপ্ন পূরণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, দেশের স্বার্থরক্ষায় বিএনপি সরকার সর্বদাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে নিরলসভাবে কাজ করছে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় ও সংস্কৃতির আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে নিরাপদে পালন করতে পারে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ধর্মীয় নেতা এবং প্রখ্যাত আলেম ওলামাদের আয়নাঘরে বন্দি রেখে অমানুষিক নির্যাতন করেছে, মিথ্যা মামলায় তাদের কারান্তরীণ রেখেছে। পবিত্র কুরআন তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠান করতে দেয়নি। তারা সকল ক্ষেত্রে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলো। দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে জাতীয়তাবাদী আদর্শের পতাকাতলে শামিল হতে সকলের প্রতি ড. খন্দকার মারুফ আহবান জানান।

ইলিয়টগঞ্জ হাইস্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডা. মো. মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূঁইয়া, সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক সফর তালুকদার, দাউদকান্দি উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহ আলম সরকার, কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন আনন্দ, চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক এস.এম মিজান পাপ্পু, দাউদকান্দি স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মহিউদ্দিন সরকার ও সাবেক সভাপতি জি.এস কামরুজ্জামান ফকির, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবদুল বাসেদ প্রমুখ।