জামালপুরে কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউল হক জিয়ার মৃত্যু, পরিবারের চিকিৎসা বঞ্চনার অভিযোগ
কারাবন্দি আ.লীগ নেতার মৃত্যু, জামালপুরে পরিবারের অভিযোগ

জামালপুরে কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: পরিবারের চিকিৎসা বঞ্চনার অভিযোগ

জামালপুরে কারাবন্দি আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউল হক জিয়া মারা গেছেন। ৬৭ বছর বয়সী এই নেতার মৃত্যু নিয়ে পরিবার থেকে চিকিৎসা বঞ্চনার তীব্র অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

গ্রেফতার ও অসুস্থতার পটভূমি

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে দুদকের মামলায় চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি জিয়াউল হক গ্রেফতার হন। তিনি ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। কারাগারে থাকাকালীন দুদিন আগে অসুস্থ হলেও ১৪ এপ্রিল দুপুরের পর তাকে ২৫০ শয্যার জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। সেখান থেকে রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের বক্তব্য

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন খান জানান, জামালপুর কারাগার থেকে অসুস্থ জিয়াউল হককে রাত ৯টা ৫ মিনিটে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। এখন লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে রয়েছে। জিয়াউল হকের ছেলে জাকিউর রাফিদ নাফি জানান, এখনো তার বাবার লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। লাশ নেওয়ার জন্য তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে অবস্থান করছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কারাগার কর্তৃপক্ষের বিবৃতি

জামালপুরের জেলা কারাগারের জেলার লিপি রানী সাহা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে জিয়াউলের রক্তচাপ বেড়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে রাতে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় জামালপুর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে কারাগারে বন্দিদের চিকিৎসা সেবার মান নিয়ে। পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, জিয়াউল হক অসুস্থ হলেও সময়মতো চিকিৎসা পাননি, যা তার মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করেছে বলে তারা মনে করছেন। কর্তৃপক্ষের দাবি, দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হচ্ছে।