১৮ মাস পর মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, ছাত্রলীগ নেতাদের নেতৃত্বে
মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন

১৮ মাস পর মুকসুদপুরে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন

দীর্ঘ ১৮ মাস পর গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে উপজেলা সদরের চৌরঙ্গীতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে পতাকা উড়তে দেখা যায়।

ছাত্রলীগ নেতাদের নেতৃত্বে পতাকা উত্তোলন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল ছয়টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদ ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় তাঁরা 'জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' এবং 'শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে' ইত্যাদি স্লোগান দেন। পতাকা উত্তোলনের ছবি রিয়াজ আহম্মেদ ও তরিকুল ইসলামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়া

ফেসবুকে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের তিনটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, তিনজন তরুণ কার্যালয়ের সাইনবোর্ডের পাশে একটি সবুজ পাইপে দুটি জাতীয় পতাকা এবং অপর একটি পাইপে দলীয় পতাকা টাঙাচ্ছেন। পরে তাঁদের কার্যালয়ের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে একজনকে বলতে শোনা যায়—'আজ থেকে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা থাকবে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের প্রতিক্রিয়া ও নেতাদের অবস্থান

এ বিষয়ে জানতে রোববার বিকেলে মুকসুদপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ আহম্মেদের ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও বন্ধ পাওয়া যায়। মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সকালে পতাকা উত্তোলনের খবর তিনি পেয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, 'এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কার্যালয় বন্ধ থাকার পটভূমি

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তী সময়ে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। ১৮ মাস ধরে উপজেলা কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল এবং প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ ছিল। এই দীর্ঘ সময় পর কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলনের ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।