চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৬, উভয়পক্ষের নেতারা একে অপরকে দোষারোপ
চট্টগ্রামে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর উভয় দলের নেতারা একে অপরকে দোষারোপ করছেন, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।

আহতদের তালিকা ও উভয়পক্ষের বক্তব্য

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মঞ্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা ইমনসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জামায়াত নেতা আলমগীর, এনাম ও মামুনসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।

দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এসএম ফারুক হোসেন জামায়াতকে অভিযুক্ত করে জানান, নির্বাচনের দিন হিন্দুপাড়ার ভোটার নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারির নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জামায়াতের কর্ণফুলী শাখার আমির মনির আবছার চৌধুরী বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্থানীয় বিএনপি ও মাদক ব্যবসায়ী কর্তৃক জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা করা হয়। পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য জামায়াতের নেতাকর্মীরা ফাজিলখার হাটবাজারে এলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টিটুর নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয় এবং বেশ কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়।

পুলিশের বক্তব্য ও বর্তমান পরিস্থিতি

কর্ণফুলী থানার ওসি শাহীনুর আলম বলেন, এ ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। তবে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছেন এবং এলাকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সংঘর্ষ স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও জটিলতা তৈরি করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। উভয়পক্ষের নেতাদের মধ্যে আলোচনা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।