অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, নির্বাচনের তিনদিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, এখন এটি পরিষ্কার যে বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম এবং বিরোধী দলের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছে। ফলে তারা এখন এর বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না।
হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আলোচনা
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি কৃষি ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ক্ষতি ও চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ দুটি ধারা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।
চুক্তির দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা
ফরিদা আখতার বলেন, “আমি মনে করি কৃষিতে যে ক্ষতিগুলোর সম্ভাবনা আমরা দেখছি— এই চুক্তিতে দুটি ধারা আছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটি ধারা অনুযায়ী, আপনি একে কিছু মডিফাই করতে পারবেন। কোনও কোনও জিনিস যদি বদলাতে চান— সেটা করতে পারি। আরেকটা হলো আমরা চুক্তিটা বাতিলও করতে পারি।”
তিনি আরও বলেন, “একটা দাবি আপনাদের তোলা উচিত যে, এটা সংসদে অবশ্যই উত্থাপন করতে হবে। সংসদে তুলে জনগণের সম্মতি নিয়ে যেন এটা করে। আমি আর কিছু বলবো না।”
সাবেক এই উপদেষ্টা মনে করেন, চুক্তিটি নিয়ে জনগণের মতামত নেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, “এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।”



