প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার বিশ্ববাজারে টিকে থাকার জন্য উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, ভোক্তারা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন।
ভোক্তাদের সচেতনতা ও টেকসই উৎপাদন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোক্তারা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা শুধু পণ্যের গুণগত মানই নয়, বরং উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ব এবং পরিবেশগত প্রভাবও বিবেচনা করে। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার জন্য উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা অপরিহার্য।’
বিশ্ব স্বীকৃতি দিবস ২০২৬
বিশ্ব স্বীকৃতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব স্বীকৃতি দিবস আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব প্রতি বছর স্মরণ করিয়ে দেয়।’
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ফোরাম ও আইএলএসি
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ফোরাম (আইএএফ) এবং আন্তর্জাতিক ল্যাবরেটরি স্বীকৃতি সহযোগিতা (আইএলএসি) প্রতি বছর ৯ জুন বিশ্ব স্বীকৃতি দিবস হিসেবে পালন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘উদ্ভাবন, আস্থা ও টেকসই উন্নয়ন: স্বীকৃতির শক্তি’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী।
বাংলাদেশ স্বীকৃতি বোর্ডের ভূমিকা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা ও টেকসই উন্নয়ন ঘনিষ্ঠভাবে পরস্পর সংযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এই প্রেক্ষাপটে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ স্বীকৃতি বোর্ডের (বিএবি) বিশ্ব স্বীকৃতি দিবস ২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়।’
স্বীকৃতির গুরুত্ব
স্বীকৃতি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা যা প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বীকৃতি কেবল একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়; এটি বিশ্ব প্রতিযোগিতায় দেশের শিল্প খাতকে টিকিয়ে রাখার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।
‘এর মাধ্যমে বিএবি বাংলাদেশি পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে আরও গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বস্ত করে তুলছে,’ তিনি বলেন, ‘বিএবি এখন পর্যন্ত দেশের ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি সনদ প্রদান করেছে।’
বর্তমানে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পাঁচটি খাতভিত্তিক স্কিমের অধীনে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের পথে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি বিশ্ব স্বীকৃতি দিবস ২০২৬ দেশের গুণগত মানের অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের দিকে যাত্রা ত্বরান্বিত করবে।’
বিশ্ব স্বীকৃতি দিবস ২০২৬ উদযাপনের সফলতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।



