চট্টগ্রামের পটিয়ায় কবরস্থান থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে উদ্ধারের সময় একটি বিষের বোতল পাওয়া যায় এবং পরে তার নাক ও মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে দেখা যায়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার শরীরে বিষক্রিয়ার লক্ষণ ও বিষের গন্ধ না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব। এ কারণে ধর্ষণের পর হত্যা নাকি আত্মহত্যা চেষ্টা তা এখনো রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ল্যাংগার দোকানসংলগ্ন কবরস্থান থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে যান এবং দ্রুত উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এখনো তার পরিচয় পাওয়া যায়নি।
চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ
পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব জানান, প্রাথমিকভাবে ওই নারীর শরীরে বিষক্রিয়ার বা বিষপানের কোনো আলামত ও বিষের গন্ধ পাওয়া যায়নি। তবে মহিলার মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়েছে। ময়নাতদন্ত ছাড়া কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না।
পুলিশের বক্তব্য
পটিয়া থানার এসআই সমীর ভট্টাচার্য জানান, বিষপানে আত্মহত্যা না ধর্ষণের পর হত্যা তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বোঝা যাবে। ওই নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিষের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে, যা প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার ইঙ্গিত দিলেও চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে বিষের আলামত না পাওয়ায় ঘটনা রহস্যজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ
মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নারীর পরিচয় শনাক্তে এলাকায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। ধর্ষণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



