ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক অবরুদ্ধ, সুপারসহ আহত ১০
ফরিদপুরে ছাত্রী নিপীড়নে শিক্ষক অবরুদ্ধ, সুপারসহ আহত ১০

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে হামলা চালায়। উত্তেজিত জনতার হামলায় মাদ্রাসার সুপারসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ৪টি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অবরুদ্ধ শিক্ষককে উদ্ধার করে ভাঙ্গা থানায় নিয়ে আসে।

ঘটনার বিবরণ

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের ভরিলহাট নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত আমির হোসেন ওই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা ছুটির পর এক শিক্ষার্থীকে উপহার দেওয়ার কথা বলে তার সঙ্গে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে। পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির অবনতি

সোমবার সকালে শিক্ষার্থীর অভিভাবকসহ এক থেকে দেড় হাজার লোক মাদ্রাসায় গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন। এ সময় শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তখন মাদ্রাসার সুপারসহ কয়েক শিক্ষককে মারধর করা হয়। সংবাদ পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধরের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় মাদ্রাসার সামনে থাকা ৪টি দোকান ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে থানায় নিয়ে যায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

ভাঙ্গা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষককে থানায় নিয়ে এসেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ