সাভারের আলোচিত দুই মামলার আসামি ‘পিস্তল মানিক’ গ্রেফতার
সাভারের আলোচিত দুই মামলার আসামি পিস্তল মানিক গ্রেফতার

সাভারের আলোচিত দুই মামলার অন্যতম আসামি মানিক ওরফে পিস্তল মানিক ওরফে কিলার মানিককে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার সাভার পৌরসভার রাজাশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

দুই মামলায় ৪১ আসামি

সাভারে কিশোর রিপন ঋষিকে অপহরণ করে নির্যাতন এবং শামীম রেজার গ্যারেজ থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মালামাল লুটের ঘটনায় রোববার দুটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মোট ৪১ জনকে আসামি করা হয়। মানিক এই দুই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

ফেন্সি সামিরের প্রধান সহযোগী

পুলিশ জানায়, মানিক সাভারে চাঁদাবাজি, অটোরিকশা লুট, হামলা, নারী লাঞ্ছনা এবং কিশোর অপহরণ ও নির্যাতনের পৃথক দুই মামলায় বহিষ্কৃত সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ফেন্সি সামিরের প্রধান সহযোগী।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত

সোমবার দুপুরে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার এসআই মো. আব্দুল ওয়াহাব। তিনি জানান, গ্রেফতার হওয়া মানিক কিশোর রিপন ঋষিকে অপহরণ ও নির্মম নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। মামলায় তার বিরুদ্ধে অপহরণ, গুরুতর জখম এবং হত্যাচেষ্টাসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ

সাভার মডেল থানার ওসির চলতি দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বলেন, “গ্রেফতার আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে অটোরিকশা ও ব্যাটারি লুটের মামলাতেও তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ব অপরাধের রেকর্ড

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার হওয়া মানিক রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাভারে ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। এর আগে একটি হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন কারাবন্দি ছিলেন এবং জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশের পর মামলা

আলোচিত এসব ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হলে পরবর্তীতে দুটি মামলাই সাভার মডেল থানায় রেকর্ড হয়।