ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ছাত্রদলের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় ছাত্রদলের নিন্দা

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ নম্বর এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ‘দৈনিক সকাল’-এর মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশির, ‘যমুনা টেলিভিশন’-এর সিনিয়র রিপোর্টার রাব্বী সিদ্দিকী এবং ‘কালবেলা’-র সংবাদকর্মী আব্দুর রহমান ইশানসহ বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

ঘটনার বিবরণ

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে উপস্থিত আরও প্রায় ২০-২৫ জন সংবাদকর্মী জামায়াত নেতাকর্মীদের এই সন্ত্রাসী হামলার মুখে পড়েন এবং লাঞ্ছিত হন। হামলার শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মাহফুজুর রহমান শিশির, রাব্বী সিদ্দিকী ও আব্দুর রহমান ইশান।

ছাত্রদলের বিবৃতি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো যেকোনো স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও সভ্য সমাজের পরিপন্থী। বিরোধী দলে থাকতেই জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা প্রকাশ্য দিবালোকে কর্তব্যরত সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির, রাব্বী সিদ্দিকী ও আব্দুর রহমান ইশানসহ প্রায় ২৫ জন সংবাদকর্মীর ওপর যেভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় আক্রমণ ও লাঞ্ছনা চালিয়েছে, তা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উদ্বেগ ও দাবি

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “পেশাদার গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর এই বর্বরোচিত হামলার মধ্য দিয়ে আবারও স্পষ্ট হয়েছে যে, এই স্বাধীনতাবিরোধী মৌলবাদী অপশক্তি এখনো বহুদলীয় গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতায় ন্যূনতম বিশ্বাস রাখেনা। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে সাংবাদিকদের ওপর এমন সন্ত্রাসী হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান শিশির, রাব্বী সিদ্দিকী, আব্দুর রহমান ইশানসহ উপস্থিত সকল গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এই সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িত জামায়াত নেতাকর্মীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে আহত সকল গণমাধ্যমকর্মীর আশু সুস্থতা কামনাসহ তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।