চট্টগ্রামের পটিয়ায় পাঁচ বছর বয়সী জায়হানকে হত্যার পর ময়লার স্তূপ থেকে বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে প্রতিবেশী মো. সাইফুদ্দিন, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে জায়হানকে হত্যা করেন। জায়হান নিখোঁজ হওয়ার পর সাইফুদ্দিন পরিবারের সঙ্গে খোঁজাখুঁজি করেন, এমনকি তার বাবার সঙ্গে চা-ও পান করেন। মুক্তিপণ চাওয়া চিরকুটের হাতের লেখা সূত্র ধরে পুলিশ খুনিদের আটক করে।
মায়ের আহাজারি
নিহত শিশুর মা জোবাইদা বেগম ছেলের ছবি বুকে নিয়ে আহাজারি করতে করতে বলেন, "আমার ছেলের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেছে।" তিনি আরও বলেন, "ওরা আমার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমি ওদের বিচার চাই।"
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন আগে জায়হান নিখোঁজ হয়। পরিবার ও প্রতিবেশীরা মিলে তাকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে ময়লার স্তূপ থেকে একটি বস্তা উদ্ধার করা হয়, যার ভেতরে ছিল জায়হানের লাশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর সাইফুদ্দিন পরিবার জায়হানের পরিবারের সঙ্গে সহানুভূতি প্রকাশ করে এবং খোঁজাখুঁজিতে অংশ নেয়। কিন্তু চিরকুটের হাতের লেখা বিশ্লেষণ করে পুলিশ সাইফুদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ করে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার কথা স্বীকার করে।
প্রতিক্রিয়া
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জায়হানের পরিবার ও স্থানীয়রা ন্যায়বিচার দাবি করেছেন। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তদন্ত করছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।



