শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের দেশের বিশাল জনসংখ্যা একটি সম্পদ এবং শিক্ষকেরাই একে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন। বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিন অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষা খাতে বাজেট কার্যকর করার আহ্বান
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ শতাংশ বাজেট দিয়েছেন, যা আমাদের কার্যকর করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিশাল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে শুধু উচ্চশিক্ষা নয়, প্রয়োজন কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাও।
ডিন অ্যাওয়ার্ড প্রদান
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়া। আজ যারা এই পুরস্কার পেলেন, তারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। একাডেমিক অ্যাক্সিলেন্স শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজের জন্য কাজ করার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেকেই শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্বলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তবু আমরা কাজ করছি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ক্ষমতায় এসে কাজ করা হচ্ছে, যেন শিক্ষাব্যবস্থায় কোনো আঘাত না আসে। প্রধানমন্ত্রীও শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় বিভাগে আরও মনোনিবেশ প্রয়োজন। আমরা এসব থেকে অনেক পিছিয়ে আছি। সিলেবাস ও কারিকুলাম পরিবর্তনে কাজ শুরু করেছি।
তিনি বলেন, বিগত সরকার চেয়েছিল শিক্ষাকে ধ্বংস করে দিতে, সেখান থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। আজকে আমরা যে নেতা পেয়েছি, তা আর পাব কিনা জানি না। সারা দেশকে আনন্দমুখর পরিবেশে শিক্ষাব্যবস্থায় নিয়ে যেতে চাই। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি।
হল ও ছাত্রাবাস তৈরি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসর বৃদ্ধি পেলে এটি আরও সুন্দর হবে। তিনি জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে।
এদিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। মোট ১০৪ জনকে ডিন'স অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। কলা অনুষদের ২১ জন, বিজনেস স্টাডিজ থেকে ১৬ জন, বিজ্ঞান অনুষদের ১৫ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ১৭ জন, লাইফ অ্যান্ড আর্ট সায়েন্স থেকে ২৯ জন, আইন অনুষদ থেকে তিনজন এবং চারুকলা থেকে তিনজন এই অ্যাওয়ার্ড পান।



