প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান বৃহস্পতিবার বলেছেন, জাতীয় মিডিয়া কমিশনের কাঠামো প্রণয়নের জন্য উচ্চপর্যায়ের কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা দুটি মূল বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন।
কর্মশালার ফলাফল
রাজধানীর একটি হোটেলে কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, সব অংশগ্রহণকারী একটি স্বাধীন মিডিয়া কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মিডিয়া সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনকে ভবিষ্যতের সংস্কার উদ্যোগের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে সম্মত হয়েছেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, আলোচনায় প্রস্তাবিত কমিশনের কাঠামো, কাজের পরিধি এবং এখতিয়ার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং এসব বিষয়ে পরামর্শ অব্যাহত থাকবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিবেদনের ভূমিকা
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিবেদনটি পুরোপুরি গ্রহণ করা হবে না। তিনি বলেন, 'কমিশনটি ব্যাপকভাবে কাজ করেছে এবং বিভিন্ন পক্ষের মতামত নিয়ে একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন তৈরি করেছে, তাই আমরা সেই প্রতিবেদনটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাব। এই বিষয়েও আজ ঐকমত্য হয়েছে।'
দুটি বড় সিদ্ধান্ত ছাড়াও, অংশগ্রহণকারীরা মিডিয়া পরিবেশকে আরও স্বাধীন ও মুক্ত করতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানান তিনি।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল, এডিটরস কাউন্সিল, নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব), টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো), ন্যাশনাল মিডিয়া ওয়াচ কাউন্সিল, বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস (বিএফইউজে), ঢাকা ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস (ডিইউজে), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ), ব্রডকাস্ট জার্নালিস্টস সেন্টার (বিজেসি), ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ জার্নালিস্টস ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, টেলিভিশন মালিক, সম্পাদক, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং মিডিয়া বিশেষজ্ঞরা।



