ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির
ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সততা ও নিষ্ঠার আহ্বান প্রধান বিচারপতির

ঢাকা বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে অভিভাষণ দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। জাজেস স্পোর্টস কমপ্লেক্স, সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা; ২০ জুন ২০২৬ছবি: আয়োজকদের সৌজন্যেবিচার বিভাগের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

ঢাকা বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্ট জাজেস স্পোর্টস কমপ্লেক্সে আজ শনিবার দেওয়া এক অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি এ আহ্বান জানান। সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচার বিভাগের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ডিজিটাইজেশন, বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, বিচারকদের দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণ, প্রতিটি জেলা আদালতে মেডিকেল সেন্টার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, স্পিচ টু টেক্সট সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার এবং বিচারকদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগের সব জেলা থেকে আগত জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটরা তাঁদের বক্তব্যে বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ; বিচার বিভাগের বাজেট বৃদ্ধি; জরুরি ভিত্তিতে এজলাস, খাসকামরা, রেকর্ড রুম, মালখানা ও আবাসনসংকট নিরসনে অবকাঠামোগত সংস্কার–উন্নয়ন; আদালত ও বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ; ডিজিটাইজেশন এবং প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বিচারিক কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলোর সঙ্গে একমত পোষণ করেন।পাশাপাশি আইনমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বিচার বিভাগের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিচারকদের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সে জন্য বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।