প্রতারণার মামলায় বিটিএল গ্রুপের সিইও মির্জা আবুল বাশারের দুই দিনের রিমান্ড
প্রতারণায় বিটিএল গ্রুপের সিইওর দুই দিনের রিমান্ড

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাকরি দেওয়া, ব্যবসায় বিনিয়োগ, গাড়ি কেনাবেচা এবং কোরবানির গরু কেনার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার বিটিএল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মির্জা আবুল বাশারকে (৩৫) দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। রবিবার (২১ জুন) বিকালে ঢাকার চিফ অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত ও রিমান্ড

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন। আসামিপক্ষে আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম রিমান্ডের বিরোধিতা করে শুনানি করেন।

প্রতারণার বিবরণ

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গাড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের নামে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে গুলশান থানায় আবুল বাশারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, বাদী মো. আজিজুল ইসলাম পুরোনো গাড়ি কেনাবেচার ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়িক লেনদেনের অংশ হিসেবে আবুল বাশার একটি গাড়ি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে এক কোটি টাকা গ্রহণ করেন। তবে টাকা নেওয়ার পরও তিনি কোনো গাড়ি সরবরাহ করেননি। পরে বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

একপর্যায়ে আবুল বাশার টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও টাকা পরিশোধ না করায় বাদী পুনরায় পাওনা টাকা চাইলে আসামি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং অভিযোগ অনুযায়ী হুমকি-ধমকিও দেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেফতার প্রক্রিয়া

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার পর থেকে আবুল বাশার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন। গুলশান থানা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, তিনি গুলশান-১ এলাকার একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন। এরপর সেখানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার চেষ্টার পর শনিবার দুপুরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।