বাংলাদেশ সামুদ্রিক পরিবেশ সুরক্ষা, উপকূলীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং টেকসই সামুদ্রিক বাণিজ্য প্রচারের লক্ষ্যে তিনটি প্রধান আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে যোগ দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।
কনভেনশন তিনটি
বাংলাদেশ যে তিনটি কনভেনশনে যোগ দিয়েছে সেগুলো হলো: তেল দূষণের জন্য দেওয়ানি দায়বদ্ধতা সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক কনভেনশন (সিএলসি), ১৯৬৯ (১৯৯২ প্রোটোকল দ্বারা সংশোধিত); বাংকার তেল দূষণের জন্য দেওয়ানি দায়বদ্ধতা সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক কনভেনশন, ২০০১ (বাংকার কনভেনশন); এবং নাইরোবি আন্তর্জাতিক কনভেনশন অন দ্য রিমুভাল অফ রেকস, ২০০৭ (রেক রিমুভাল কনভেনশন)।
অভিযোগ দাখিল
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সোমবার লন্ডনের আইএমও সদর দফতরে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আরসেনিও ডমিঙ্গেজের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কনভেনশনগুলোর আনুষঙ্গিক দলিল হস্তান্তর করেন।
মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. এম. নজরুল ইসলাম এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারি।
অর্জনের তাৎপর্য
লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই যুগান্তকারী অর্জন বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সামুদ্রিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে, সামুদ্রিক দূষণ ও জাহাজডুবি-সম্পর্কিত ঝুঁকির বিরুদ্ধে সুরক্ষা বাড়ায় এবং দেশটিকে একটি দায়িত্বশীল ও বিশ্বস্ত সামুদ্রিক জাতি হিসেবে আরও প্রতিষ্ঠিত করে।



