বরিশালে আদালত ভাঙচুর মামলায় ১১ আইনজীবীর জামিন, একজনের জামিন নামঞ্জুর
বরিশাল আদালত ভাঙচুর মামলায় ১১ আইনজীবীর জামিন

বরিশালে আদালত ভাঙচুর মামলায় জামিনের আদেশ

বরিশালে আদালতের এজলাস ভাঙচুরের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে হওয়া মামলায় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমানসহ ১১ জনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। তবে মামলার অপর আসামি মিজানুর রহমানের জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের শুনানি ও সিদ্ধান্ত

দ্রুত বিচার আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম আজ সোমবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে মামলার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। দ্রুত বিচার আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামিরা আদালতে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক শুনানি শেষে ১২ জন আইনজীবীর মধ্যে ১১ জনকে ২০০ টাকার বন্ডে জামিন মঞ্জুর করেন। মামলার ৬ নম্বর আসামি মিজানুর রহমানের জামিন বাতিল করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

আসামিপক্ষের আইনজীবী কে এম জুবায়ের বলেন, "আদালত সবকিছু বিশ্লেষণ করে একজন বাদে সবার জামিন মঞ্জুর করেছেন। মামলার প্রধান আসামি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমানকে পুলিশ আগেই গ্রেপ্তার করেছিল। বাকি ১১ আসামি আজ হাজিরা দিয়ে জামিন আবেদন করেন।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ঘটনার পটভূমি

এদিকে আলোচিত এ মামলার আসামিদের জামিন শুনানি উপলক্ষে জেলা জজ আদালতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ। সকাল থেকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্যকে আদালত প্রাঙ্গণে সতর্ক অবস্থায় দেখা যায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের জামিন দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের আদালত বর্জন কর্মসূচির মধ্যে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাসে হট্টগোল ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারি ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজীব মজুমদার বাদী হয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন। এ মামলায় ওই দিনই প্রধান আসামি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমানকে পুলিশ আদালত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

এই ঘটনায় আদালতের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশের তদন্ত ও আদালতের শুনানি চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।