ঢাকার ধামরাইয়ে ফিরোজ কবির (৪৭) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের ভাষ্য, মাদকের ব্যবসার অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে তর্কের জেরে ওই ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের অর্জুন নালাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হত্যার বিবরণ
প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের দাবি, ধামরাইয়ের গাংগুটিয়া ইউনিয়নের অর্জুন নালাই এলাকার জয়নাল আবেদিনের ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৩) একই এলাকার শাহজাহানের ছেলে শাহিন এ হত্যার ঘটনা ঘটায়। নিহত ফিরোজ কবির ধামরাইয়ের অর্জুন নালাই এলাকার আলহাজ উদ্দিনের ছেলে। নিহতের বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি চেষ্টাসহ প্রায় ডজনখানেক মামলা রয়েছে। তিনি সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পান বলে জানায় ধামরাই থানা পুলিশ।
ঘটনার পটভূমি
পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসার অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে ফিরোজের সঙ্গে জহিরুল ও শাহিনের বিরোধ ছিল। সম্প্রতি ফিরোজ মাদক মামলায় কারাগার থেকে মুক্তি পান। শনিবার সন্ধ্যার দিকে ওই দুই ব্যক্তির সঙ্গে তার দেখা হলে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে তাকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত করে ওই দুই ব্যক্তি। এর পরপরই তারা পালিয়ে যায়। এ সময় আহত অবস্থায় ভুক্তভোগীকে প্রথমে কাওয়ালীপাড়ার একটি হাসপাতালে এবং পরে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পথের মধ্যে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের বক্তব্য
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘মাদক ব্যবসা নিয়ে ফিরোজের সঙ্গে জহিরুল ও শাহিনের বিরোধ ছিল। বিগত ৪-৫ দিন আগেই ফিরোজ কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফিরে আসে। আজ তাদের দেখা হলে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত করে ফিরোজকে। আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ইতোমধ্যে আসামি ধরার জন্য পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে।’



