আসাদুজ্জামান: টনু হত্যা মামলা আবার এগোচ্ছে
টনু হত্যা মামলা আবার এগোচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান শনিবার বলেছেন, আলোচিত টনু হত্যা মামলা অবশেষে এগোতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের উদ্যোগে ১০ বছর স্থবির থাকার পর মামলাটি গতি পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

মন্ত্রী বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী আমাকে ঈদের দিন ফোনে বার্তা পাঠিয়ে মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানতে চেয়েছিলেন। পরে তাকে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়। তার উদ্যোগে ১০ বছর পর মামলাটি এগোতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে এক আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে।'

রাজধানীর মোহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা (এসইএলপি) কর্মসূচির আয়োজিত এক পরামর্শক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনের আওতায় আনা হবে

মন্ত্রী আরও বলেন, মামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে পর্যায়ক্রমে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টিতে বিশেষ আগ্রহী হওয়ায় ঈদের পর প্রথম দিন অফিসে এসেই তার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তাকে বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হয়েছে।

'বিষয়টি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারে বিবেচিত হচ্ছে। আইন মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে,' আসাদুজ্জামান আরও বলেন।

দ্রুত বাস্তবায়ন

সাংবাদিকদের আরেকটি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে যা সম্পন্ন হয়নি, সেসব কাজ এখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য নেওয়া হচ্ছে এবং এক থেকে দুই মাসের মধ্যে সেগুলো সম্পন্ন হবে।

সভাটি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও ব্র্যাকের যৌথ গবেষণা 'নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পদ্ধতিগত প্রতিবন্ধকতা এবং সেগুলো দূর করার কার্যকর উপায় চিহ্নিতকরণ' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য আয়োজিত হয়েছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা, আইন সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন, ব্র্যাকের এসইএলপি ও জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শাশ্বতী বিপ্লব প্রমুখ।

সাবেক জেলা ও দায়রা জজ উম্মে কুলসুম পরামর্শক হিসেবে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন ও জুডিশিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সাংবাদিক এবং ব্র্যাকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।