ভুয়া জন্ম-মৃত্যু সনদ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ চেয়ারম্যান বরখাস্ত
ভুয়া জন্ম-মৃত্যু সনদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ চেয়ারম্যান বরখাস্ত

ভুয়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদ তৈরি করে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চারটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

বরখাস্ত চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তারা

বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানরা হলেন: সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমডি নাসির উদ্দিন, বুধল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান, কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফারুক ইসলাম এবং আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফাইজুর রহমান।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন কুটি ইউনিয়নের কাজী তাজউদ্দিন আহমেদ, সাদেকপুরের মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, বুধলের মো. হাসান ভূঁইয়া এবং চরচারতলার মো. রাসেল মাহমুদ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্তে সত্যতা মিলেছে

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সনদ তৈরি করে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অভিযোগ উঠলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হয়। সরেজমিন অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় জেলা প্রশাসক একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় চার চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং পত্রপ্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

প্রতিক্রিয়া

জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি তদন্ত করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সাময়িক বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন বুধবার আমরা পেয়েছি। পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।