জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতু বলেছেন, সমাজে যখন একটি খারাপ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে, তা এক সময় সাধারণ মানুষের ঘর পেরিয়ে রাজার প্রাসাদ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তিনি উল্লেখ করেন, জাইমা একজন নারী এবং আমিও একজন নারী। আওয়ামী লীগ জাইমাকে নিয়ে এমন নোংরা ছবি বানিয়েছে, যা যেকোনো নারীর জন্যই অত্যন্ত কষ্টদায়ক।
শুক্রবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে এসব কথা বলেন মাহমুদা মিতু। পোস্টে তিনি লেখেন, রাজনীতিতে নতুন থাকাকালে কোনো কথা বলার আগেই আমি বুলিংয়ের শিকার হয়েছি। আমার ওপর হামলাও হয়েছে। শুধুমাত্র এনসিপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই আমাকে নিয়ে অসংখ্য নোংরা ছবি বানানো হয়েছে।
মিতু লেখেন, আজ সেই একই অসুস্থ সংস্কৃতি জাইমা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। আওয়ামী লীগ জাইমাকে নিয়ে এমন নোংরা ছবি বানিয়েছে, যা যেকোনো নারীর জন্যই অত্যন্ত কষ্টদায়ক।
দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা বলেন, বিএনপির সাইবার ইউনিটের দায়িত্বশীলরা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ করে একসঙ্গে সেসব ছবি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। আমি আমার মতো নারীরা যে মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যায়, সে যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে এখন জাইমাকেও যেতে হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক। কিন্তু বিএনপির নীতি নির্ধারণী পর্যায় থেকে এই সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে কোনো স্পষ্ট অবস্থান আমরা কেন দেখি না?
মিতু আরও লেখেন, আপনারা যারা সাধারণ জনগণ আপনাদেরও এই বিষয় প্রতিবাদ করতে হবে, তা না হলে আপনাদের ঘরে যে কন্যা শিশু আছে সেই শিশু বড় হলে সেও বিনাকারণে এসবের শিকার হবে। যে সমাজে নোংরামি স্বাভাবিক হয়ে যায়, সেখানে শেষ পর্যন্ত কেউই নিরাপদ থাকে না।
তিনি জানান, সাইবার বুলিং নিয়ে আমি কাজ করতে চাই। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা থেকে প্রতিনিধি টিম গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। আপনারা যদি আমার সঙ্গে কাজ করতে চান জানাবেন। এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক উদ্যোগ।



